📜 বৃত্তির নীতিমালা
- 🎓 আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল অথচ মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ বৃত্তির জন্য আবেদন যোগ্য।
- 📘 জে.এস.সি/অষ্টম শ্রেণি বার্ষিক পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ থাকতে হবে।
- 💰 আবেদনকারী অভিভাবকের বাৎসরিক সর্বমোট আয় ১,৫০,০০০ টাকার মধ্যে হতে হবে।
- 📝 আবেদনকারী অভিভাবকের বাৎসরিক আয়ের প্রত্যয়ন প্রতিষ্ঠান প্রধান/শ্রেণি শিক্ষক কর্তৃক প্রদান করতে হবে।
- 🧠 বৃত্তি প্রাপ্তির জন্য মেধা যাচাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। পরীক্ষা হবে ৮ম শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান বিষয় থেকে। মোট নম্বর ৫০ — বাংলা: ১০, ইংরেজি: ১৫, গণিত: ১৫, সাধারণ জ্ঞান: ১০।
- 🪪 পরীক্ষার জন্য ডি.এম.ডব্লিউ.ও. থেকে প্রবেশপত্র প্রদান করা হবে। পরীক্ষার স্থান পরবর্তীতে জানানো হবে।
- 🏆 আবেদনকারীদের মধ্যে ১ম থেকে ১০ম স্থান অধিকারী শিক্ষার্থীরা বৃত্তির জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
- 💵 বৃত্তি: নগদ অর্থ প্রদান করা হবে।
- ⏳ বৃত্তির মেয়াদ হবে ০২ (দুই) বছর — অর্থাৎ ৯ম শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত।
- 📆 বৃত্তি বছরে দুই কিস্তিতে প্রদান করা হবে।
- 📊 ৯ম শ্রেণির অর্ধ-বার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল ডি.এম.ডব্লিউ.ও.-এর নিকট জমা দিতে হবে। অর্ধ-বার্ষিকে ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ এবং বার্ষিকে ন্যূনতম জিপিএ ৪.০০ প্রাপ্ত হতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ প্রযোজ্য।
- ❌ নির্ধারিত ফলাফল অর্জনে ব্যর্থ হলে ১০ম শ্রেণিতে বৃত্তি বাতিল হবে, তবে ৯ম শ্রেণির উভয় কিস্তির অর্থ প্রদান করা হবে।
- ✅ ৯ম শ্রেণিতে প্রয়োজনীয় ফলাফল অর্জন করলে ১০ম শ্রেণিতে বৃত্তির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।
- 🤝 বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থী ডি.এম.ডব্লিউ.ও.-এর নীতিমালা অনুসরণ করতে বাধ্য থাকবে।
- 🚫 শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে যেকোনো সময় বৃত্তি বাতিল করার অধিকার ডি.এম.ডব্লিউ.ও. সংরক্ষণ করে।
- ⚠️ আবেদন ফরমে প্রদত্ত তথ্য অসত্য প্রমাণিত হলে বৃত্তি বাতিল করা হবে।
- 🛑 বৃত্তি সংক্রান্ত যেকোনো পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন বা বাতিলের ক্ষমতা ডি.এম.ডব্লিউ.ও. সংরক্ষণ করে।
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা:
বৃত্তি সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত ডি.এম.ডব্লিউ.ও.-এর চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো আপত্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।
- আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল অথচ মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ বৃত্তির জন্য আবেদন যোগ্য।
- জে.এস.সি/অষ্টম শ্রেনী বার্ষিক পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ-৩.৫০ থাকতে হবে।
- আবেদনকারী অভিভাবকের বাৎসরিক সর্বমোট আয় ১,৫০,০০০টাকার মধ্যে হতে হবে।
- আবেদনকারী অভিভাবকের বাৎসরিক আয়ের প্রত্যয়ন প্রতিষ্ঠান প্রধান/ শ্রেনী শিক্ষক কর্তৃক প্রদান করতে হবে।
- আবেদনকারীকে বৃত্তির প্রাপ্তির জন্য একটি মেধা যাচাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।উক্ত পরীক্ষা ৮ম শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বই, থেকে নেওয়া হবে। পরীক্ষাটি (০৪) বিষয়ে মোট ৫০ নম্বর এক সঙ্গে সম্পন্ন হবে। বাংলায় -১০, ইংরেজি-১৫, গণিতে-১৫ এবং সাধারণজ্ঞান-১০।
- পরীক্ষার জন্য ডি.এম.ডব্লিউ.ও .থেকে একটি প্রবেশ পত্র প্রদান করা হবে।পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত স্থান পরবর্তীতে জানানো হবে।
- আবেদনকারীদের মধ্যে যারা ১ম স্থান থেকে ১০ম স্থান অধিকারী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে।
- বৃত্তিঃ নগদ টাকা প্রদান করা হবে।
- একজন আবেদনকারী বৃত্তি প্রাপ্ত হলে তার সময়/মেয়াদ ০২ (দুই) বছর। অর্থাৎ ৯ম শ্রেণি হতে ১০ম শ্রেণি পযর্ন্ত।
- বৃত্তি বছরে দু’কিস্তিতে প্রদান করা হবে।
- প্রত্যক বৃত্তি প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীকে ৯ম শ্রেণির অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল ডি.এম.ডব্লিউ.ও. এর সংশ্লিষ্ট কমিটির নিকট প্রদান করতে হবে। পরবর্তীতে বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলও প্রদান করতে হবে। যার ফলাফল অর্ধবার্ষিকীতে কমপক্ষে জিপিএ-৩.৫০ এবং বার্ষিক পরীক্ষাতে কমপক্ষে ৪.০০ প্রাপ্ত হতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তানদের ক্ষেত্রে উভয় পরীক্ষায় জিপিএ-৩.৫০ অর্জন করতে হবে।
- যদি কোন শিক্ষার্থী (বৃত্তি প্রাপ্ত) উক্ত ফলাফল অর্জনে ব্যর্থ হয়ে তবে ১০ম শ্রেণিতে বৃত্তির অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।কিন্তু ৯ম শ্রেণির উভয় কিস্তির বৃত্তি (দুটি) সে পাবে।
- ৯ম শ্রেণির অর্ধ বার্ষিক কমপক্ষে জিপিএ ৩.৫০ এবং বার্ষিকীতে জিপিএ-৪.০০ প্রাপ্ত হলে ১০ম শ্রেণিতে বৃত্তির যোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
- বৃত্তি প্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থী ডি.এম.ডব্লিউ.ও. এর প্রতি সর্বদা অনুগত থাকবে।
- বৃত্তি প্রাপ্ত কোন শিক্ষার্থী যদি শিক্ষা সংক্রান্ত কোন শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে তবে উক্ত বৃত্তি যেকোন সময় বাতিলের অধিকার ডি.এম.ডব্লিউ.ও. সংরক্ষণ করে।
- আবেদন ফরমে প্রদত্ত তথ্য/ বিষয়াদি অসত্য প্রমাণিত হয় তবে তার বৃত্তি সংগঠন বাতিলের অধিকার সংরক্ষণের ক্ষমতা রাখে।
- বৃত্তি সংক্রান্ত যেকোন বিষয়ে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন, বাতিলের ক্ষমতা ডি.এম.ডব্লিউ.ও. সংরক্ষণ করে
উপরের নিয়মাবলী গুলো ভালোভাবে পড়ে নিচের বাটনে ক্লিক করুন
